কাগজে-কলমে হাসপাতালটি ৫০ শয্যার। কিন্তু বর্ধিত ১৯ শয্যা পাঁচ মাসেও চালু হয়নি। বাকি ৩১ শয্যায় প্রতিদিন গড়ে ২০ জন করে রোগী থাকেন। তিন বেলার পরিবর্তে রোগীদের শুধু সকালের নাশতা দেওয়া হয়। অথচ হাসপাতালের ৫০ জন রোগীকে পাঁচ মাস ধরে তিন বেলা খাবার সরবরাহ করা হয়েছে উল্লেখ করে বিল তুলে নিয়েছেন ঠিকাদার। আর ভুয়া বিল তৈরি করে দিয়েছেন হাসপাতালেরই কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এ ঘটনায় হাসপাতালের খাদ্য-পথ্য সরবরাহকারী জামান খানকে শুধু ১৯ জনের বিপরীতে উত্তোলিত অতিরিক্ত তিন লাখ ৪১ হাজার ৯১৬ টাকা ফেরত দিতে ১৬ মার্চ...

